ট্রেন্ড

ট্রেন্ড

ট্রেন্ড বুলিশ (উঠতি ট্রেন্ড, আপট্রেন্ড) অথবা বিয়ারিশ (পড়ন্ত ট্রেন্ড, ডাউনট্রেন্ড) হতে পারে। কারেন্সি পেয়ার যখন পূর্বের হাইয়ের ওপরে যায়, তখন একটি নতুন হাই ফর্ম করে। প্রাইস যখন পূর্বের সর্বনিম্নের নিচে যায়, তখন একটি লোয়ার লো ফর্ম করে। হায়ার হাই এবং হায়ার লো এর মানে হচ্ছে এখন আপট্রেন্ড চলেছে। লোয়ার হাই এবং লোয়ার লো মানে হচ্ছে ডাউনট্রেন্ড চলছে।

 

ট্রেন্ডলাইন কিভাবে সঠিকভাবে অঙ্কন করতে হয়?

ট্রেন্ডলাইন টেকনিক্যাল অ্যানালিসিসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্যুলের মধ্যে একটি। অন্যান্য জটিল ট্যুল ব্যাবহার করতে গিয়ে একে অবহেলা করবেন না, কারন ট্রেন্ডলাইন ট্রেডের জন্য খুবই সহায়ক হতে পারে।

ট্রেন্ডলাইন ড্র করার মূল সুবিধা হচ্ছে চার্টকে পরিষ্কারভাবে দেখা। ট্রেডে সফলতা পেতে, চার্টে প্রাপ্ত তথ্য আপনাকে ব্যাবহার করতে জানতে হবে, দরকারবিহীন তথ্য থেকে একে আলাদা করতে হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য কাজে লাগাতে হবে। ট্রেন্ডলাইন অ্যানালাইজ করলে আপনাকে তা অন্য ফর্মেশন পেতে এবং, সঠিক ট্রেডের সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।

চার্টে একাধিক ট্রেন্ডলাইন অঙ্কন করা সম্ভব, কিন্তু বেশী লাইন আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে। আপনার লক্ষ্য থাকবে সবচেয়ে স্পষ্ট লাইন নির্বাচন করা এবং তা ড্র করা। ট্রেন্ডলাইন যদি সুস্পষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে অনেক ট্রেডার, যাদের মধ্যে স্পেকুলেটররাও রয়েছে, তারাও এটা লক্ষ্য করবে। এরফলে, এই লাইনের কারেন্সি পেয়ারের মুভমেন্ট ধরে রাখার সম্ভাবনা বেশী থাকবে।

ট্রেন্ডলাইনের ২ টি বৈশিষ্ট্য রয়েছেঃ

প্রাইসে কমপক্ষে ২টি ইন্টারসেকশন

ঝোঁক (লাইন সমান্তরাল নয়)।

প্রাইস ট্রেন্ডলাইনকে যতোবার ছুঁয়ে যাবে, ট্রেন্ড ততো শক্তিশালী ধরা হবে। ট্রেন্ডলাইনের কোনের দিকে লক্ষ্য রাখবেন। এটা যদি ৩০ ডিগ্রির কম হয়ে থাকে, তাহলে ট্রেন্ড খুব খাড়া এবং অস্থিতিশীল। ট্রেন্ডের কোন যদি ৪৫ ডিগ্রি অতিক্রম করে তাহলে তা ভালো। অন্য কথায়, দ্বিতীয় পয়েন্ট যেখান থেকে আমরা ট্রেন্ডলাইন ড্র করি তা প্রথমটির থেকে ২০-৩০ ক্যান্ডেলের দুরত্তে থাকবে।

ট্রেন্ডলাইন যেকোনো টাইমফ্রেমে ব্যাবহার করা যায়, কিন্তু ১৫ মিনিট বা তারবেশী চার্টে ব্যাবহার করা ভালো।

ট্রেন্ড চ্যানেল

মাঝেমাঝে আপনি ট্রেন্ডলাইনের সহায়তায় কোন মুভ ক্লোন করতে পারেন, তাই ক্লোন করা লাইন প্রথমটির সাথে সমান্তরাল থাকবে এবং অন্য দিকের ট্রেন্ডকে সীমাবদ্ধ করবে, তাই যখন কোন পেয়ারের একটি হাইতে গেলে অন্যদিকে সেটির লোকে সংযুক্ত করবে। এটাকে ট্রেন্ড চ্যানেল বলা হয়।

লক্ষ্য করবেন যে আপট্রেন্ডে মূল লাইন লো'কে (সাপোর্ট লাইন) সংযুক্ত করবে, আর ডাউনট্রেন্ড যখন চলবে, তখন তা প্রাইসের হাইকে (রেজিস্ট্যান্স লাইন) সংযুক্ত করবে। চ্যানেল ট্রেডারদের ট্রেন্ডের মধ্যে থাকতে সহায়তা করে।

ট্রেন্ড ট্রেডিঙের পেছনে যুক্তি

ট্রেন্ড ওঠা/নামার সময় ট্রেন্ডের ডায়রেকশনে পজিশন ওপেন করা ভালো। ট্রেডাররা প্রায়ই বলে থাকে যে, ট্রেডার হচ্ছে তোমার ফ্রেন্ড। অন্য কথায়, আপট্রেন্ডের সময় যদি প্রাইস সাপোর্ট লাইনে গিয়ে পৌছায়, তাহলে এই সম্ভাবনা রয়েছে যে এটা আবার উপরে এবং রেজিস্ট্যান্সের দিকে যাবে, তাই ট্রেন্ডলাইনের সাপোর্ট হচ্ছে বুলিশ পজিশন ওপেনের জন্য ভালো একটি জায়গা।  আপট্রেন্ডে বাই এবং ডাউনট্রেন্ডে সেলকে বলা হয় ট্রেন্ড ট্রেডিং।

এখানে লক্ষ্য থাকে যে ট্রেন্ডের প্রথম দিকে এন্ট্রি নেয়া যাতে সেই ট্রেন্ড থেকে সর্বোচ্চ লাভ নিয়ে নেয়া যায়।

কাজকর্মের প্রক্রিয়া

প্রাইস অ্যাকশন এবং টেকনিক্যাল ইনডিকেটরের মাধ্যমে ট্রেন্ড নির্ধারণ করুন।  

এন্ট্রির পরিকল্পনা করুন - রেজিস্ট্যান্স ব্রেক বাইয়ের চেয়ে সাপোর্টে রিট্রেসের সময় বাই করা কম ঝুঁকিপূর্ণ।

লসকে সীমাবদ্ধ করা - যেমন, পূর্বের হায়ার লো'য়ের নিচে স্টপ লস দিন।

লাভ নির্ধারণ করুন - টেক প্রফিট স্টপ লসকে অতিক্রম করতে হবে।

মনে রাখবেন যে কাউন্টার ট্রেন্ড ট্রেড করাটা ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রফেশনালের দক্ষতা এবং ফরেক্সে প্রচুর পরিমানের অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়।

কিভাবে বুঝবো যে ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে?

আপট্রেন্ডের সময় যদি কারেন্সি পেয়ার সাপোর্ট লাইনের নিচে যায়, এটা ভালো হয় যদি নিম্নোক্ত যেকোনো একটি অবস্থা দ্বারা তা নিশ্চিত করা যায়ঃ

প্রাইস ব্রেক হওয়া সাপোর্টের ১% নিচে ক্লোজ হয়েছে।

ভলিউম - যদি ডাটা উপলব্ধ থাকে - গড়ের বেশী হয়ে থাকে।

পরবর্তী ক্যান্ডেলগুলো লাইনের নিচে ক্লোজ হয়েছে।

নিচের দিকে ব্রেকের পরে ইন্ট্রাডে চার্টে প্রাইস আবার ব্রেক হওয়া লাইনে পুনর্মিলিত হয়, যা এখন সফলভাবে রেজিস্ট্যান্সের ভূমিকা পালন করছে। এধরনের পুনর্মিলন শক্তিশালী সেল সিগন্যাল প্রদান করে যদি এটা গড় ভলিউমের কমের সময়সীমার মধ্যে ফর্ম করে থাকে।

নিচের দিকের ব্রেকের আকার গড় ATR এর চেয়ে বেশী হয়ে থাকে। ATR ইনডিকেটর পূর্ববর্তী নির্দিষ্ট ক্যান্ডেলের ভিত্তিতে ভলাটিলিটি পরিমাপ করে।

ট্রেন্ড ট্রেডিঙে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট

ট্রেন্ড ট্রেডিং এই ধারনায় করা হয় যে প্রাইস নির্দিষ্ট এক ডায়রেকশনে মুভ করবে। সেটা যদি কাজ না করে, তাহলে সেই ট্রেড ধরে রাখার কোন মানে হয় না, তাই ট্রেন্ড ট্রেডাররা সাধারনত টাইট (অল্প) স্টপ লস অর্ডার ব্যাবহার করে থাকে।

আপনি স্টপ লসকে দ্রুত ব্রেকইভেনে সরিয়ে নিতে পারেন।

আপনি স্কেলিং ইন (প্রথমের দিকে) এবং স্কেলিং আউট (ট্রেন্ডের শেষের দিকে) ব্যাবহার করতে পারেন।

রিস্ক/রিওয়ার্ড রেশিও ১:২ থেকে শুরু হওয়া উচিত। 

ট্রেন্ড ট্রেডিঙের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্ষঃ

- ট্রেন্ডলাইন ড্র করবেন।

- একাধিক টাইমফ্রেমে ট্রেন্ড অ্যানালাইজ করবেন।

- মার্কেটের ওভারবট/ওভারসোল্ড যাচাই করবেন।

- পজিশন ওপেন করতে তাড়াহুড়া করবেন না। সঠিক এন্ট্রির সময়ের জন্য অপেক্ষা করুন (ওপরে "কাজকর্মের প্রক্রিয়া" সেকশনটি দেখুন)।

- প্যাটার্ন খুঁজুন - চার্ট, ক্যান্ডেলস্টিক।

- টেক প্রফিট অর্ডার পরিবর্তন করবেন না।

- চার্টের হিস্টোরির ভিত্তিতে ট্রেইলিং স্টপ ব্যাবহার করুন। 

Latest news

Trade the British pound on the inflation data

The level of British consumer price index (CPI) will be released on January 16 at 11:30 MT time.

Take a chance to trade the USD

The level of US PPI will be released on January 15, at 15:30 MT time.

Trade the British pound on economic indicators

The levels of British GDP and manufacturing production will be released on January 11 at 11:30 MT time…

লোকাল পেমেন্ট সিস্টেম দিয়ে ডিপোজিট করুন

কলব্যাক

ম্যানেজার শীঘ্রই ফোন দেবে।

নম্বর পরিবর্তন করুন

আবেদন গ্রহন হয়েছে

ম্যানেজার শীঘ্রই ফোন দেবে।

অভ্যান্তরীন ত্রুটি দেখা দিয়েছে। অনুগ্রহ করে কিছুক্ষণ পরে আবার চেষ্টা করুন

নতুনদের জন্য ফরেক্স বই

ট্রেডিং শুরু করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসসমূহ
আপনার ই-মেইল দিন, আর আমরা আপনাকে ফ্রি ফরেক্স গাইডবুক প্রেরন করবো

ধন্যবাদ!

আমরা আপনার ই-মেইলে বিশেষ একটি লিংক প্রেরন করেছি।
সেই লিংকে ক্লিক করে ইমেইল নিশ্চিত করুন আর নতুনদের জন্য ফ্রি ফরেক্স গাইডবুক নিয়ে নিন।

আপনি পুরনো ভার্সনের ব্রাউজার ব্যাবহার করছেন।

লেটেস্ট ভার্সনে আপডেট করুন অথবা অন্য একটি ব্যাবহার করুন সুরক্ষিত, আরো সুবিধাজন এবং ফলদায়ক ট্রেডের অভিজ্ঞতার জন্য।

Safari Chrome Firefox Opera